মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার পৌর ঈদগাহে ঈদুল আজহার ৩ জামাত
২৮ মে বৃহস্পতিবার সকাল ৬:৩০, ৭:৩০ ও ৮:৩০টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত; ইমামতি করবেন জেলার বিশিষ্ট আলেমগণ মৌলভীবাজার শহরের ঐতিহ্যবাহী হযরত সৈয়দ শাহ্ মোস্তফা (রহ.) পৌর ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মে বৃহস্পতিবার। ঈদকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে মুসল্লিদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পৌর প্রশাসন ও ঈদগাহ কমিটি। পৌর প্রশাসক রুবেল মাহমুদ জানিয়েছেন, ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও বিপুল সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি বিবেচনায় তিন ধাপে জামাতের স
ময় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৬টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ঈদগাহ মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মুসল্লিদের অজুর ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণসহ নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঈদের দিন যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন সে বিষয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি থাকবে। প্রথম জামাত সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন জেলা জামে মসজিদের খতিব ও হযরত সৈয়দ শাহ্ মোস্তফা (রহ.) টাউন কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম। সানী ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বায়তুল মোনাওয়ার জামে মসজিদের খতিব, জামেয়া দ্বীনীয়া মৌলভীবাজারের মুহতামিম হাফিজ মাওলানা সৈয়দ মাজদুদ আহমদ রাফিদ। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন সুলতানপুর জামে মসজিদের ইমাম ও দারুল উলুম টাইটেল মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাওলানা শামছুজ্জোহা। সানী ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দর্জিরমহল জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা হাম্মাদ বিল্লাহ। তৃতীয় ও শেষ জামাত সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন টাউন দেওয়ানী জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আকিল উদ্দিন। সানী ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাজিরগাঁও জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ক্বারী মোঃ মুহাররম আলী। ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগ, কোরবানি ও মানবতার শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপিত হয়। মৌলভীবাজার পৌর ঈদগাহ মাঠ দীর্ঘদিন ধরে জেলার অন্যতম প্রধান ঈদের জামাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মুসল্লি এখানে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন। পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের

