দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা
সাতক্ষীরার দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা। সভায় দুর্গাপূজা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, চুরি-ডাকাতি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং সার্বিক প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা কর
া হয়। সভায় বক্তারা পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখা এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পূজা চলাকালে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক ও সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় বক্তব্য দেন দেবহাটা থানার এসআই বেলায়েত হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহাবুব আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউর রহমান, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক অজয় ঘোষ, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অসীম কুমার ঘোষ, বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুৎ-এর দেবহাটা সাব-জোনালের এজিএম আল আমীন হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের লিডার কলিমউদ্দিন, বিজিবি ও আনসার-ভিডিপির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজদ বোস্তামী উজ্জ্বল, যুগ্ম সম্পাদক লিটন ঘোষ বাপি, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) প্রভাষ মণ্ডল, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুলসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টরা। সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

